দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঋণ খেলাপি ও ঋণ পুনঃতফসিলীকরণকে ব্যবসা ও ব্যাংকিং খাতের একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, গত ১৭ বছর ধরে বিএনপির ব্যবসায়ীদের ওপর যে পরিকল্পিত বাধা সৃষ্টি করা হয়েছিল, তারই ফলস্বরূপ অনেকে আজ ঋণ খেলাপিতে পরিণত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ঋণ খেলাপি বা পুনঃতফসিলীকরণ—এটি বিএনপি আবিষ্কার করেনি। যতদিন ধরে বিশ্বে ব্যাংকিং ব্যবস্থা আছে, ততদিন ধরে এই প্রক্রিয়া আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। করোনার সময় বা বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের সময় ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিশ্বব্যাপী ঋণ পুনঃতফসিল করা হয়। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকিং প্র্যাকটিস।
বিগত সরকারের আমলে বিএনপির ব্যবসায়ীদের প্রতি বৈষম্যের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, গত ১৭ বছর বিএনপির ব্যবসায়ীরা শান্তিতে ব্যবসা করতে পারেননি। তাদেরকে ব্যাংকের স্যাংশন করা লোন পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। ঋণের সময়সীমা শেষ হলেও তা এক্সটেনশন করা হয়নি। এমনকি তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের গ্যাস এবং বিদ্যুতের লাইনও কেটে দেওয়া হয়েছে।
আমির খসরু বলেন, যাদের আজ খেলাপি বলা হচ্ছে, তাদের অনেকে দীর্ঘ সময় বাড়িতে থাকতে পারেননি, পালিয়ে বেড়িয়েছেন। অনেকে বছরের পর বছর জেলের মধ্যে ছিলেন। এখন জেলে বসে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করা কি এতই সহজ ব্যাপার?
অন্যান্য রাজনৈতিক দলের ব্যাংক মালিকানার দিকে ইঙ্গিত করে অর্থমন্ত্রী বলেন, অনেক দলের ব্যাংকও আছে, বিএনপির তো কোনো ব্যাংক নেই। যাদের নিজস্ব ব্যাংক আছে, তাদের দলের সদস্যদের তো ঋণ খেলাপি হওয়ার সুযোগ নেই। কারণ তারা তাদের পছন্দের লোককে চেয়ারম্যান ও এমডি বানান, নিজেদের সুবিধামতো নিয়োগ দেন। এই সুযোগ বা সুবিধা তো বিএনপির নেই।
তিনি আরও বলেন, ব্যাংক-ক্লায়েন্ট রিলেশনশিপ একটি পেশাদার বিষয়। কিন্তু বিএনপির নেতাকর্মীদের ক্ষেত্রে ব্যাংকিং সেক্টরকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে সব ধরনের বাধা সৃষ্টি করা হয়েছিল।
/অ